মোকাব্বির খানও নিচ্ছেন শপথ, সংকটে বিএনপি!

নিউজ ডেস্ক: ড. কামাল বিদেশ থেকে ফিরলেই ঘটা করে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিবেন সিলেট-২ আসনের নির্বাচিত প্রার্থী মোকাব্বির খান। বিদেশ যাওয়ার পূর্বেই মোকাব্বির খানকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে সকল প্রস্তুতি সারার আভাসও দিয়ে গেছেন ড. কামাল। তবে মোকাব্বির খানের শপথের সম্ভাবনাকে বিএনপির প্রতিরোধের কফিনে বেইমানির শেষ পেরেক মারার সঙ্গে তুলনা করেছেন দলটির নেতারা।

বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে হতাশার বিষয়টির সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মোকাব্বির খানও যদি শপথ নিয়ে ফেলেন তবে বিএনপির বাকি ৫ জন সদস্যকেও আর আটকিয়ে রাখা যাবে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
মোকাব্বির খানের শপথের বিষয়ে হতাশা ও শঙ্কা প্রকাশ করে কৃষকদলের আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, মোকাব্বির খানরা যে বিএনপিকে বিপদে ফেলে সটকে পড়বেন সেটি নিয়ে যে সন্দেহ ছিল তা ধীরে ধীরে সত্যি প্রমাণ হচ্ছে। মোকাব্বির খানরা তো জীবনে ক্ষমতার স্বাদ পাননি কোনদিন, সুতরাং প্রলোভনে পড়ে তাদের পা ফসকে যাবে এটি তো অনুমেয় ছিল। এসব ঝামেলা জন্য মূল দায়ী ড. কামাল। নিজের সংসার সাজিয়ে বিএনপির ঘরে আগুন দেয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। এখন মোকাব্বির খানও যদি শপথ নিয়ে ফেলেন তবে বিএনপির বাকি বিজয়ীদের আটকে রাখা সম্ভব হবে না। বিএনপি দুভাগে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। একটা বিএনপি সংসদে থাকবে, আর একটা বিএনপি রাজপথে। সেটি হতে দেয়া যাবে না।

শপথের বিষয়ে মোকাব্বির খান বলেন, ড. কামাল আমার নেতা। আমি উনার কাছ থেকে সম্মতি পেয়েই শপথের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বিদেশ থেকে ফিরলেই আমি শপথ নিব। এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমার। সুলতান মনসুর তো ধানের শীষ নিয়েই জয়ী হয়েছেন। উনার বেলায় বিএনপি তো কিছুই করেনি। শুধু বিবৃতি দিয়েছে। আমি তো ড. কামালের মার্কা নিয়ে জয়ী হয়েছি। সুতরাং ড. কামালের আপত্তি না থাকলে বিএনপির তো এত মাথাব্যথা হওয়া উচিত না। বিএনপির অনেক নেতাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তারাও নাকি সংসদে যেতে চান। আমি তাদের মনের কথা শুনতে বলেছি।

তিনি আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, আমি নাকি বিএনপির বিজয়ীদের উসকে দিচ্ছি। এগুলো সত্য নয়। আমি মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দেয়ার পক্ষে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *