ফখরুলকে নিয়ে ধূম্রজাল, তৃণমূলে অসন্তোষ!

নিউজ ডেস্ক : সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি ৫ নেতার শপথ নেয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা থামছেই না। দলের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও। প্রথম থেকেই স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ বেশি কিছু নেতা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করলেও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলেও প্রভাব পড়েছে। তৃণমূল, বিশেষ করে বগুড়া-৬ আসনের জনগণের অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুলের সিদ্ধান্ত।

যদিও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন যে, শপথ সিদ্ধান্তে তার বিরত থাকা এবং বাকিদের শপথ নেয়া পুরো বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং দলীয় কৌশল।

বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে তার ইঙ্গিত মিলেছে বগুড়া-৫ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের কথাতেও। তিনি বলেন, মহাসচিব কেনো শপথ নেননি, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। তবে বিষয়টিতে আমরাও বিভ্রান্ত। সকলেই শপথ নিলাম কিন্তু মির্জা ফখরুল শপথ নেয়া থেকে বিরত থাকলেন।

পাঁচজনের শপথ নেয়া এবং একজনের শপথ থেকে বিরত থাকা নিয়ে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে কি-না জানতে চাইলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো. আব্দুল আউয়াল খান বলেন, তা কিছুটা আছে। কিন্তু ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে মির্জা ফখরুল সাহেব যে আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন সেই আসনের বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে। মির্জা ফখরুল সাহেবের এমন সিদ্ধান্তের জন্য বিএনপি ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত আসনটি চিরদিনের জন্য হারাতে হতে পারে।

সার্বিকভাবে মির্জা ফখরুলের শপথ থেকে বিরত থাকা এবং এ বিষয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে কি-না জানতে চাইলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, আপনি যে বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন এটা নীতি নির্ধারণী ফোরামের কেউ বা দলের মুখপাত্র বলতে পারবেন। আমি নীতি নির্ধারণী ফোরামের কেউ নই। সুতরাং এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে পারব না। তবে বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোনো একটি গোলযোগ আছে বলেই আমাদের মনে হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *