নতুন আশায় মাঠে চাষিরা

নতুন আশায় মাঠে চাষিরা

বিটিবি নিউজ ডেস্ক: 

লবণের মূল্য বাড়বে এমন আশাবাদ নিয়েই মাঠে নামতে শুরু করেছেন চাষিরা। কুতুবদিয়া আংশিক এলাকায় লবণ শুরু হলেও নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই অধিকাংশ এলাকায় লবণ চাষ শুরু হবে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আশেক উল্লাহ রফিক এমপি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলার পরই লবণ চাষিদের মাঝে আগ্রহ বেড়েছে কুতুবদিয়ায় আংশিক এলাকায় ইতোমধ্যে লবণ উৎপাদন শুরু হয়েছে। এছাড়া জেলার সর্বোচ্চ লবণ উৎপাদনকারী উপজেলা মহেশখালী এবং অন্যান্য উপজেলা চকরিয়া, পেকুয়া, সদর উপজেলা ও টেকনাফে নতুন বছরের শুরুতে লবণ চাষে নেমে পড়বে চাষিরা। স্থানীয় লোকজন জানান, আগামী সপ্তাহেই প্রায় অধিকাংশ প্রজেক্টে চিংড়ি চাষ শেষ হবে। তাই ইতোমধ্যে লবণ চাষিরা মাঠে নামার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ বলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লবণের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। ঢাকা কেন্দ্রিক সিন্ডিকেটের সাথে গোপন আঁতাত রয়েছে কিছু লবণ মিল মালিকের। যারা অপ্রয়োজন সত্তে¡ও লবণ আমদানির পক্ষে ভ‚মিকা রাখে। অসাধু ব্যবসায়ীরা শিল্প লবণ-এর আড়ালে সোডিয়াম সালফেট মিশ্রিত লবণ এনে ভোজ্য হিসেবে বাজারজাত করে। তাদের কারণেই মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য পায় না চাষিরা। এ বিষয়টি এখন প্রধানমন্ত্রীর অবগত হয়েছেন। তাই লবণের মূল্য নিয়ে ভাবনার কোন কারণ নেই। সরকার এক ছটাক লবণও আমদানি করবে না।

কক্সবাজার বিসিক’র উপ-মহাব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, লবণের কোন ঘাটতি নেই। গত মৌসুমে উৎপাদিত লবণ ও এর আগের মৌসুমের অবক্রিত লবণসহ বর্তমানে বিপুল লবণ মজুত রয়েছে। তাই লবণ আমদানির কোন যৌক্তিকতা নেই। তারপরও নানা কৌশলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অপ্রয়োজনীয় সোডিয়াম ক্লোরাইড আমদানি করে এই শিল্পকে ধংস করার ষড়যন্ত্র করছে। বর্তমানে যে পরিমাণ লবণ উদ্ধৃত রয়েছে এতে লবণ ঘাটতির কোন সম্ভবনা নেই।